খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২০ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রেমের টানে ঠাকুরগাঁওয়ে চীনা যুবক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রেমের টানে ঠাকুরগাঁওয়ে চীনা যুবক

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়। এরপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের পরিণতি হিসেবে প্রেমিকাকে বিয়ে করতে সুদূর চীন থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে এসেছেন এক যুবক। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও চাঞ্চল্য।

চীনা ওই যুবকের নাম শিওং ঝেনতিং। তিনি চীনের শিনজিয়াংয়ের আলার শহরের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হরিপুর উপজেলার বীরগড় গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে নাসিমা আক্তার ঢাকার একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ফেসবুকের মাধ্যমে চীনা যুবক শিওং ঝেনতিংয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সেই সম্পর্কের পরিণতি হিসেবে নাসিমা আক্তারকে বিয়ে করতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসেন শিওং ঝেনতিং। এরপর থেকে তিনি নাসিমার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

চীনা যুবকের বাংলাদেশে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তাকে দেখার আগ্রহ তৈরি হয়। তবে নাসিমা ও শিওং ঝেনতিংয়ের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মী কিংবা স্থানীয়দের কথা বলতে দিচ্ছেন না পরিবারের সদস্যরা।

নাসিমার মা-বাবা বলেন, ‘ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করলে মেয়ে ও চীনা ছেলের সম্মান নষ্ট হতে পারে। তাই আমরা কাউকে তাদের সঙ্গে কথা বলতে দিচ্ছি না।’

পরিবারের এমন অবস্থানের কারণে গণমাধ্যমকর্মীরা চীনা যুবক ও নাসিমার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেননি।

এ বিষয়ে হরিপুর থানার ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক যোগফল. কম 

সৈয়দপুরে রেলওয়ের বাংলো দখলের চেষ্টা, উচ্ছেদ করল কর্তৃপক্ষ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৈয়দপুরে রেলওয়ের বাংলো দখলের চেষ্টা, উচ্ছেদ করল কর্তৃপক্ষ

ছবি সংগৃহীত:

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের ব্যস্ততম রেলওয়ে অফিসার্স কলোনি এলাকায় কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ঐতিহ্যবাহী ১১০ নম্বর রেলওয়ে অফিসার্স বাংলো ও চত্বর দখলের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে রেলওয়ে পূর্ত বিভাগ।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে একদল লোক প্রকাশ্যে ওই বাংলোর চারপাশে লাল পতাকা টাঙিয়ে উঁচু টিনের বেড়া নির্মাণ শুরু করেন। দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েকজন নির্মাণশ্রমিক বাংলোটির চত্বর ঘিরে টিনের বেড়া দিচ্ছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়।

নির্মাণকাজে যুক্ত শ্রমিকরা জানান, শহরের কাপুড়িয়া পট্টির ব্যবসায়ী রানা তাদের এই সীমানা প্রাচীর নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন। রানা তাদের কাছে দাবি করেছেন, জমিটি তিনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিয়েছেন।

খবর পেয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে পূর্ত বিভাগের (আইওডব্লিউ) কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা-পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সদস্যদের সমন্বয়ে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে শ্রমিকদের বসানো টিন, বাঁশসহ নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে জব্দ করা হয়। পরে এসব সামগ্রী ট্রাকে করে রেলওয়ের ইয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়।

সৈয়দপুর রেলওয়ে পূর্ত বিভাগের পরিদর্শক (আইওডব্লিউ) শরিফুল ইসলাম বলেন, রেলওয়ে অফিসার্স কলোনির ১১০ নম্বর ভবনটি রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্টের নামে বরাদ্দ রয়েছে। বরাদ্দকৃত জমিতে মার্কেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যবসায়ী রানা জমিটি ইজারা নেওয়ার যে দাবি করেছেন, তা সঠিক নয়।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে। জায়গাটি দখলমুক্ত রাখতে সেখানে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দপুর শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দকৃত জমির পরিমাণ এক একরের বেশি। জমিটির বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ জমি ইজারা নেওয়ার কথা বলে দখলের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওই চক্রটির বিরুদ্ধে ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ১৪ ঘণ্টাতেও হয়নি তদন্ত কমিটি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ১৪ ঘণ্টাতেও হয়নি তদন্ত কমিটি

ছবি সংগৃহীত:

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ১৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো তদন্ত কমিটি গঠন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

হামলার পর সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সোমবার (৫ অক্টোবর) দিনের মধ্যে মামলা করার আশ্বাস দেওয়া হলে সাংবাদিকরা তাদের কর্মসূচি থেকে ফিরে যান।

এদিকে আজ সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রভবনের সামনে মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন সাংবাদিকরা। হামলার ঘটনার ১৪ ঘণ্টা পার হলেও তদন্ত কমিটি গঠন না হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বর্তমানে ক্যাম্পাসে নেই। তিনি বিকেলে ক্যাম্পাসে ফিরলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।’

রোববার রাতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবিবসহ কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

হামলায় আহত সাংবাদিকরা হলেন—বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম

আজও ধরা পড়েননি ‘পিচ্চি রাজা’, জড়িত দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আজও ধরা পড়েননি ‘পিচ্চি রাজা’, জড়িত দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

ছবি যোগফল

ঘটনাটি তদন্তে গঠিত পর্যবেক্ষণ কমিটি বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে সাময়িক বরখাস্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে এখনো ঘটনার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিজস্ব প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়া রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে (৩০) বিগত সাত দিনেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে তার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে থাকা সাময়িক বরখাস্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি তিনজনকেও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপ পরিদর্শক এসআই (এবি) প্রবীর কুমার ও প্রিজন ভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঘটনাটি তদন্তে গঠিত পর্যবেক্ষণ কমিটি বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে সাময়িক বরখাস্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে এখনো ঘটনার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি আসামি যে স্থান থেকে পালিয়ে গেছেন বলে প্রথমে বলা হয়েছিল, সেটিও সঠিক নয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পালানোর স্থান নিয়েও সাময়িক বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্যরা একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দিচ্ছেন। ওই পাঁচ পুলিশ সদস্য একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দেওয়ায় আসামি ঠিক কোথা থেকে পালিয়েছেন, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তবে পুলিশ এরমধ্যে প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত হয়েছে পিচ্চি রাজাকে ঢাকার তাতিবাজার এলাকা থেকে পালিয়েছে।

ঘটনার পর্যবেক্ষণ কমিটির প্রধান গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (সিটি এসবি) মোহাম্মদ মহিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সাময়িক বরখাস্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যকে বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু তারা সঠিক কোনো তথ্য দিচ্ছেন না। আসামি কোন স্থান থেকে পালিয়ে গেছে, তা নিয়েও তারা একেক সময় একেক কথা বলছেন। যে স্থান থেকে পালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে, সেটিও সঠিক নয় বলে আমরা জানতে পেরেছি।

পর্যবেক্ষণ কমিটির অপর সদস্য কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন বলেন, প্রিজনভ্যান কারাগার থেকে আদালত এবং আদালত থেকে কারাগার এর মধ্যে কোথাও থামার সুযোগ নেই। বড় বিপদ হলে নিকটবর্তী থানায় থামাতে হবে। কিন্তু তারা (প্রিজনভ্যানের সঙ্গে থাকা দায়িত্বরত পুলিশ) যে স্থানে থামানোর কথা বলছে সেখানে থামানোর প্রশ্নয় উঠে না।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ওই পাঁচ পুলিশ সদস্যেকে সাময়িক বরখাস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমাদের পর্যবেক্ষণের কাজ শেষ হলে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এরপর বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম শুরু হবে। 

পুলিশ ও কারাগার সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ৩০ আসামিকে ঢাকার আদালতে হাজিরা ও মামলার শুনানির জন্য নেওয়া হয়। আদালতের কার্যক্রম শেষে তাদের কাশিমপুর কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়ার পথে রাতে রাজা ওরফে পিচ্চি রাজা পুলিশের প্রিজনভ্যান থেকে কৌশলে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে পালিয়ে যান। এরপর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। তবে প্রায় সাত দিন পেরিয়ে গেলেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে প্রিজনভ্যানের সঙ্গে থাকা  এসআই (এবি) প্রবীর কুমার, কনস্টেবল মো. জাকির হোসেন , কনস্টেবল মো. সাকিব , কনস্টেবল শাকিল হোসেন,  প্রিজন ভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে ঘটনার পর্যবেক্ষণ কমিটি।
তাদের মধ্য থেকে পিচ্চি রাজাকে পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে উপ পরিদর্শক এসআই (এবি) প্রবীর কুমার ও প্রিজন ভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আসামি পালানোর প্রকৃত স্থান, কীভাবে তিনি পুলিশের হেফাজত থেকে বের হয়ে গেলেন এবং দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা এসব বিষয় এখন গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাঁচ পুলিশ সদস্যের বক্তব্যের অসঙ্গতিও যাচাই করা হচ্ছে। রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তারে গাজীপুর ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে সাত দিন হয়ে গেলেও তাঁর অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গোয়েন্দা পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সাহেব আলী পাঠান গণমাধ্যমকে জানান, একেক পুলিশ একেক তথ্য দিলেও প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি সে ঢাকার তাতিবাজার থেকে পালিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছি ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত রয়েছে। আমরা দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তারও করেছি। 

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৯ মে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ওই এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারিদের একজন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

যোগফল |অনলাইন |নিউজ ডেস্ক :